আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় শাহবাজ শরিফ বলেন, “ঐতিহাসিক ‘ইসলামাবাদ মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ আজ ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
উভয় দেশের প্রেসিডেন্ট এতে স্বাক্ষর করেছেন এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আমিও এতে অনুমোদন দিয়েছি।”
তিনি জানান, চুক্তিটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘাতটি দ্রুত আঞ্চলিক সংকটে রূপ নেয় এবং এতে হাজারো মানুষের প্রাণহানি ঘটে। একই সঙ্গে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি এবং খাদ্য সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগও বাড়ে।
১৪ দফা সমঝোতা অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানো হয়েছে। এই সময়ে উভয় পক্ষ একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা চালাবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইংরেজি ও ফারসি ভাষায় প্রস্তুতকৃত দলিলে দুই দেশের প্রেসিডেন্ট ডিজিটাল স্বাক্ষর করেছেন।
চুক্তির পরও ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় হামলা চালাতে পারে। ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “তারা চুক্তি লঙ্ঘন করলে আমরা কঠোর জবাব দেব। তবে আমি চাই তারা চুক্তি মেনে চলুক।”
একই সময়ে ইরানের নেতারা চুক্তিটিকে কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে উদযাপন করেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন ও ইরানি প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরযুক্ত চুক্তির ছবি প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
Your Comment